পোস্টগুলি

আমি বিয়ে করতে চাই

Bangla Golpo পুত্র: বাবা, আমি বিয়ে করতে চাই।💏 পিতা: স্যরি বল্।🤨 পুত্র: কেন!🤔 পিতা: স্যরি বল্।🤨 পুত্র: কিন্তু কেন?🤔 পিতা: আগে স্যরি বল্।😤 পুত্র: কিন্তু আমার ভুলটা কোথায়?🤔 পিতা: তুই আগে স্যরি বল্।😠 পুত্র: অন্তত কারণটা তো বলো!🧐 পিতা: আগে স্যরি বল্।😬 পুত্র: ঠিকাছে বাবা! স্যরি। 🙏আমি দুঃখিত।🙏 পিতা: এইমাত্র তুই বিয়ের যোগ্য হয়ে উঠলি ব্যাটা। 😎দোষ না-করেও স্যরি বলা শিখে গেছিস তুই।😇 তোর ট্রেইনিং কমপ্লিট। 🤷 অভিনন্দন! 🎉🎈🎊 যা, এবার বিয়ে কর্.....😃😃  ফানি গল্প 

গল্পটির নামঃ-বিয়ে পাগলের পাগলি

Bangla Golpo দারুন একটা গল্প আগে সম্পর্ন গল্পটি পড়ুন। --এই চলো না আমরাবিয়ে করে ফেলি? --কাকে বিয়ে করব? --কাকে বিয়ে করবামানে?আমাকে বিয়ে করবি? --কেনো তোমাকে বিয়ে করব? --মানে কী?তুমি আমাকে ভালবাসো না? --হুম ভালবাসলেই বিয়ে করতে হবে নাকি? --হুম সবাই তো তাই করে প্রেমের পরে বিয়ে? --সবাই করে করুক,আমি সবার মত না,কবিগন বলে গেছে, যাদের সাথে প্রেম করবে তাকে কখনোই বিয়ে করবে না। --কী বলছো এসব? --হুম ঠিকই বলছি।দাঁত উঠছে? --কার? --তোমার? --মানে? --মানে তুমি যে বিয়ে করবা তোমার দাঁত উঠছে? ---বিয়ে করার সাথে দাঁতের সম্পর্ক কী? --আছে সম্পর্ক, আক্কেল মাড়ি উঠছে? --না মানে সেটা কী? --থাক,তাহলে আমি বেআক্কেলে মেয়ে বিয়ে করতে পারবো না। --এই দেখো আমি কিন্তু কেঁদে দিবো? --এই নাও? --এটা দিয়ে কী করব? --যখন কাঁদবে তখন এই টিসু দিয়ে চোখ মুছবে। . >যা মেয়েটা সত্যি কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো।পাগলী একটা বোঝেও না ওকে ছাড়া আমার একমুহূর্ত চলে না।আসলে নাদিয়া যখন বিয়ের কথা বলে তখন আমি ওকে এভাবেই রাগিয়ে দিই, যার ফলে দুই - তিন দিন কথা বন্ধ।আমাকেই আবার তার অভিমান ভাঙাতে হয়। আজকে মনে হয় একটু বেশীই কষ্ট পেয়েছে। মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে বিয়ে...

গল্প___আই লাভ ইউ টু❤❤

Bangla Golpo #লেখনীতেঃ কথা চৌধুরী❤ কত করে বললাম যে, আমি এই কোচিং-এ যাবো না। তাও আব্বু আমাকে জোর করে ভর্তি করিয়েছেন। আব্বুর বন্ধুর কোচিং সেন্টার তাই আমি মানা করা সত্ত্বেও আমাকে জোর করে ভর্তি করলেন। কী আর করার? আব্বুর কথা তো আর অমান্য করতে পারবো না। তাই ভর্তি হয়ে ক্লাস করতে লাগলাম। এখন শীতকাল। অতিরিক্ত শীতে জড়োসড়ো হয়ে বসে আছি ক্লাসরুমে। শুনলাম আজকে না-কি আমাদের ট্রায়াল ক্লাস হবে। নতুন টিচার ক্লাস নিবেন। হঠাৎ ক্লাসে স্যার ঢুকলেন। আমি তো পুরো থ হয়ে গেলাম স্যারকে দেখে। পরনে একটা ইয়োলো কালারের জ্যাকেট আর জিন্স সেই সাথে চোখে কালো ফ্রেমের চশমা। কী যে হ্যান্ডসাম লাগছে উনাকে সেটা প্রকাশ করার মতো ভাষা জানা নেই আমার। আর উনার এলোমেলো চুলগুলো আমার মনকেও খানিকটা এলোমেলো করে দিলো।  ক্লাসে এসে চোখ বুলিয়ে, নিজের সম্পর্কে বলতে শুরু করলেন। উনার নাম ইয়াসির। উনার মতো উনার নামটাও বেশ সুন্দর। বিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষক উনি। নিজের পরিচয় দেওয়া শেষ করে পড়াতে লাগলেন। আমি অনেক মনোযোগ দিয়ে উনার ক্লাস করতে লাগলাম। শুধু ক্লাস করলাম বললে ভুল হবে, উনার দিকেও তাকিয়ে ছিলাম। দেখতে যেমন সুন্দর উনার পড়ানোর পদ্ধতিও অনেক সুন...

Stories__ Don't Judge A Book By It's cover🙂

Bangla Golpo #লেখনীতে_কথা_চৌধুরী❤ অন্য সবার মতো আমারও অনেক ইচ্ছে ভার্সিটিতে পড়াশোনা করবো। আর ইচ্ছে পূরণ করতে ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগও পেয়ে গেলাম। আজকে ভার্সিটিতে আমার প্রথম ক্লাস। তাই তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে ভার্সিটিতে চলে এলাম।  ভার্সিটিতে ঢুকতেই অন্য রকম একটা ভালো লাগা কাজ করতে শুরু করলো সাথে একটা চাপা ভয়ও লাগছে। কারণ আধুনিক এই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সবাই বাহারি বাহারি পোশাক আর সাজসজ্জা করে এসেছে। এদিকে আমি সামান্য সুতি কাপড়ের থ্রিপিস, মাথায় হিজাব, চোখে কালো ফ্রেমের চমশা আর পায়ে নরমাল জুতো ছাড়া তেমন কিছুই পড়িনি। এছাড়া সাজসজ্জা থেকে আমি সবসময় দূরেই থেকেছি। ক্লাস কোথায় খুঁজে পাচ্ছি না। কিন্তু কাউকে জিজ্ঞেস করারও সাহস হচ্ছে না। গুটিগুটি পায়ে হেঁটে অনেক কষ্টে ক্লাস খুঁজে পেলাম। ক্লাসে ঢুকতেই কয়েকজন আমার দিকে কেমন করে যেন তাকালো। আমি বুঝতে পেরেছি আমার পোশাক-আশাকের জন্যই তারা আমার দিকে এমন ভাবে তাকিয়ে আছে। আমি চুপচাপ দ্বিতীয় সারির তৃতীয় চেয়ারে বসে পড়লাম।  ক্লাস শুরু হয়ে গেল। সবাই ক্লাসে এসে পছন্দ মতো জায়গায় বসলো। কিন্তু আমার পাশে কেউ বসলো না। পুরো সারিতে আমি একাই বসে আছি। এটা আমার জ...

গল্পঃইম্প্রেস

Bangla Golpo লেখিকাঃতৃষ্ণা_জান্নাত ক্রাশের আগামী পরশু জন্মদিন। এই দিনটাকে যেভাবে হোক কাজে লাগাতেই হবে। অনেক অপেক্ষা করেছি এমন একটা দিনের জন্য৷  অনেক কষ্টে তাকে রাজি করিয়েছি পরশু আমার সাথে দেখা করার জন্য। সে রাজি হয়েছে বলেছে তার বাসায় সন্ধ্যার বার্থডে পার্টিতে জয়েন করতে। তার ফ্যামিলি মেম্বার, বন্ধুরা সহ অনেকেই থাকবে। আমি এখন ভাবছি কিভাবে তাকেসহ তার ফ্যামিলিকে পটানো সম্ভব। 'উমমমম! তাকে একলা ছাদে ডেকে সামনে হাটু গেঁড়ে বসে গোলাপ দিয়ে বলব, আই লাভিউ নাকি রিং দিয়ে বলব উইল ইউ ম্যারি মি?' -ধুর! এসবে কাজ হবে না। এগুলো করে তো ছেলেরা। আর কেউ যদি দেখে ফেলে তবে সর্বনাশ। তাহলে গিয়ে হাত চেপে ধরে বলবো 'ভাই প্লিজ ফিরিয়ে দিয়েন না আমি আপনাকে অনেক পছন্দ করি আর অনেক ভালোবাসি' -মাথা পুরাই গেছে। ভাই বললে সে তো বলবে আচ্ছা বোন আমিও তোমাকে ভালোবাসি।  নাহ্! এভাবে হবে না। আর এতে তো ফ্যামিলির কেউ পটবে না উল্টো ছ্যাচড়া বলবে আমাকে। কি করা যায়? -গুগলে সার্চ করা যায়!  কিভাবে বাঙালি মেয়েরা তার পছন্দের মানুষের সাথে প্রথম দেখা করতে যায়, কিভাবে ইম্প্রেস করে তাদেরকে। সার্চ করার রেজাল্ট তো দেখছি বাঙালি মেয়ে ম...

গল্পঃ- নাদিয়া

Bangla Golpo লেখাঃ- মোঃ আবীদ আবরার। নাদিয়া আমার ছাত্রী। আজকে পড়ানোর সময় দেখি তার বইয়ের ভাঁজে রঙিন একটা চিরকুটে লেখা " বড্ড বেশি ভালোবাসি স্যার "।  আমি তো রীতিমতো অবাক হবার চরম পর্যায়ে, তবে এমন কিছু একটা আগেই ভেবেছিলাম। কিছুদিন ধরে নাদিয়ার আচরণ একটু অস্বাভাবিক মনে হতো।   চিরকুটটা নিজের কাছে রেখে স্বাভাবিক ভাবেই পড়ানো শেষ করলাম। তারপর নির্দিষ্ট সময় শেষে যখন ওর রুম থেকে বের হচ্ছিলাম তখন নাদিয়া বললো,  -- স্যার কিছু বললেন না?  -- কোন বিষয়?  -- আপনাকে যে চিরকুট দিলাম।  -- সেখানে তো কোনো উত্তর দেবার মতো কিছু পেলাম না। তুমি তোমার নিজের কিছু কথা লিখে দিয়েছ, সবসময় সব জিনিসের উত্তর হয় না।  -- কিন্তু আমার তো উত্তর চাই।  - অপেক্ষা করো, পেয়ে যাবে।  আমি আর কথা না বাড়িয়ে বাসা থেকে বেড়িয়ে পড়লাম, এটাই হয়তো আমার শেষ যাওয়া। আর এ বাড়িতে পা রাখা যাবে না, সদ্য বেড়ে ওঠা নাদিয়ার আচরণ প্রশ্রয় দেওয়া যায় না।  নাদিয়াদের বাসা থেকে বেরিয়ে আমি সরাসরি আঙ্কেলের অফিসে চলে এলাম। আঙ্কেল আমাকে দেখে খানিকটা অবাক হয়েছে নিশ্চয়ই কেননা এখনো মাস শেষ হয়নি।  মাস শেষে টিউশনির ...

ছোট_গল্প গল্পঃঅভিনয়

Bangla Golpo লেখকঃ জহিরুল_ইসলাম পরিবারের ইচ্ছেতে দুই ভাই একত্রে বিয়ে করলাম। বড় ভাইয়ের বউটা একদমি অশিক্ষিত। আমার কাছে ক্ষ্যাত মার্কা লাগতো। কারো সাথে কথা বলতো না। ভাইয়ের থাকা বন্ধু গুলো ভাবিকে দেখতে চাইলেও তাদেরকে মুখ দেখাতো না। মাথার উপর বড় ঘোমটা দিয়ে চা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। আর এদিকে আমার বউ তুলনা স্বরুপ অনেক শিক্ষিত ভাবির চেয়ে। সারাক্ষন জীন্স টপ পড়ে থাকে। আমার বন্ধুরা আসলে তাদের সামনে গিয়ে হাসি ঠাট্টাই ব্যস্ত থাকতো। নিজের কাছে ব্যাপার গুলো খুবি ভালো লাগতো। বন্ধুরাও বউয়ের প্রশংসা করতে করতে মুখে ফ্যানা তুলে ফেলতো। এসব কান্ড দেখে রীতিমত রাগ চরম সীমায় পৌছায় আমার। কে শোনে কার কথা। কাজের বুয়ার সাথে সারাক্ষন চেঁচামেচি করে যেতেই থাকতো। বউয়ের কাছে মনেই হতো না যে কাজের বুয়াও মানুষ। কিভাবে ওর মানসিক পরিবর্তন করা যায় এটা ভেবে পাচ্ছিলাম না। বউয়ের অত্যাচারে কাজের বুয়াটা অসুস্থ হয়ে যায়। তাই কিছুদিন কাজ করতে আসেনি। আর এদিকে বউটা আমার চেঁচামেচি করে বাড়ি মাথায় তুলে রাখছে। একদিন রাত এগারোটার দিকে বউ বলছে- --- এই শুননা! আমার নাটকে অভিনয় করার খুব ইচ্ছে। আর তুমি তো সারাক্ষন দেখি লেখালিখি নিয়ে ব্যস্ত থাকো। আম...